পরকীয়া যে শুধু একটা বিশ্বাসের সম্পর্ককেই গুড়িয়ে দেয় না

পরকীয়া যে শুধু একটা বিশ্বাসের সম্পর্ককেই গুড়িয়ে দেয় না, বরং একজন মানুষকে কতটা পৈশাচিক ও হিংস্র করে তুলতে পারে—গাইবান্ধার এই ঘটনাটি সমাজবিজ্ঞানীদের জন্য এক বড়সড় ভাবনার খোরাক!”—সম্প্রতি গাইবান্ধার বুকে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন ঘটনাটি আরও একবার প্রমাণ করল যে, আমাদের সমাজ ও পারিবারিক মূল্যবোধ আজ কতটা খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।
​ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিজের বিবাহিত স্ত্রী অন্য এক পুরুষের সাথে প্রকাশ্য রাজপথে পরকীয়া প্রেমে মজে সানন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন—এমন একটি দৃশ্য নিজের চোখে অবলোকন করেন তাঁর স্বামী। নিজের কলিজার টুকরো স্ত্রীর এমন জঘন্য ও প্রকাশ্য বেইমানি দেখার পর ক্ষোভে, অপমানে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি। তিনি তখনই বাড়িতে ফিরে আসেন এবং স্ত্রী ঘরে পা রাখতেই তাঁর ওপর নেমে আসে পৈশাচিক বর্বরতা। দেশের প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার ওপর আস্থা না রেখে ওই স্বামী নিজেই বিচারক সেজে বসেন। স্ত্রীকে নির্মমভাবে মা/রধ/র করার পর, হিংস্রতার চরম সীমায় গিয়ে তাঁর গোপ/না/ঙ্গে রান্নার শুকনো মরিচের গুঁড়ো লাগিয়ে দেন!
​মরিচের তীব্র ঝাল আর নি/র্যা/ত/নে/র যন্ত্রণায় ওই গৃহবধূ চিৎকার করতে থাকলে তাঁর চিৎকারে ছুটে আসেন আশেপাশের প্রতিবেশীরা। তাঁরা ওই তরুণীকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। এই বর্বরোচিত কাণ্ডের পর ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে থানায় একটি লিখিত মা/ম/লা দায়ের করেছেন। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, অপরাধী যেই হোক, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই; অভিযুক্ত ওই স্বামীকে খুব শি’গগিরই গ্রে/ফ্তা/র করে আইনের মুখোমুখি করা হবে!