“আমার স্বামীর ‘পাগলামি’ আজ সার্থকতা পেলো!”—প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুয়েল রানার স্ত্রী নিশার আবেগঘন পোস্ট!

“আমার স্বামীর ‘পাগলামি’ আজ সার্থকতা পেলো!”—প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে জুয়েল রানার স্ত্রী নিশার আবেগঘন পোস্ট!
একজন মানুষের সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে থাকেন তাঁর জীবনসঙ্গী। যখন সবাই একটা নিরাপদ ক্যারিয়ারের পেছনে ছোটে, তখন সব ছেড়ে প্রকৃতির পেছনে ‘পাগলামি’ করা একজন মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে সমর্থন দেওয়াটা সহজ ছিল না। আজ সেই ত্যাগের, সেই ভালোবাসার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি মিলেছে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে।
​‘চিত্ত মিডিয়া’র পেছনের কারিগর জুয়েল রানার অসাধারণ সৃষ্টিশীলতাকে যেভাবে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেকে নিয়ে প্রশংসা করেছেন, তাতে কৃতজ্ঞতায় চোখ ভিজে এসেছে জুয়েল রানার স্ত্রী নিশার। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের মনের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি:
​নিশার ফেসবুক পোস্ট:
​”আলহামদুলিল্লাহ, পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া। আজ আমার জীবনের অন্যতম আবেগময় এবং গর্বের একটি দিন।
​অনেকেই হয়তো ভাবতেন, আইন (ল) নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে কেন জুয়েল কোনো প্রচলিত চাকরিতে যোগ দিল না? কেন দিন-রাত প্রকৃতির পেছনে, শিল্প-সাহিত্যের পেছনে এভাবে ‘পাগলের মতো’ ছুটে বেড়াচ্ছে! কিন্তু আমি ওর ভেতরের সেই ডেডিকেশন আর সততা খুব কাছ থেকে দেখেছি।
​আজ আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে জুয়েলের সেই কাজের খোঁজ রেখেছেন, ওর তৈরি কনটেন্ট দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এবং পরম মমতায় ডেকে নিয়ে যেভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তা আমাদের পুরো পরিবারের জন্য এক পরম পাওয়া।
​সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেই কথাটি— ‘প্রকৃতিকে ভালোবাসার জন্য কিছু উন্মাদ থাকা দরকার, পাগল থাকা দরকার।’ তিনি শুধু জুয়েলের কাজের প্রশংসাই করেননি, বরং ওর এই সুন্দর পাগলামিটাকে এক প্রকার প্রশ্রয় ও অনন্য সম্মান দিয়েছেন। জুয়েল যখন নিজের জন্য কিছুই চায়নি, তখন প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ওকে অনুরোধ করেছেন প্রকৃতি ও সাহিত্যের এই চর্চা কখনো না ছাড়ার জন্য, তা আমাদের আগামীর পথ চলার সবচেয়ে বড় শক্তি।
​একজন রাষ্ট্রনায়কের এমন শিল্পমনস্কতা, সাধারণ একজন সৃষ্টিশীল মানুষের প্রতি এমন আন্তরিকতা এবং তরুণদের মেধার এই মূল্যায়ন সত্যিই অনন্য। জুয়েলের এই সততা ও মেধার মূল্যায়ন করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে জানাই আমাদের পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে অন্তহীন কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
​আপনার এই একটি পজিটিভ উদ্যোগ দেশের হাজারো তরুণকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সৎভাবে ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখাবে। চিত্ত মিডিয়ার এই ভালোবাসার যাত্রা চলুক অবিরাম…”