এই শিতের মধ্যে কার না পিঠা খেতে মন চাই বলুন। নানী পিঠা খাবার জন্য অনেক দিন ধরে আস্তে বলছে। অবশেষে
নানীদের পাড়ায় ৩ দিনের লম্বা একটি মেলার মধ্যে নানী বাড়ি চলে গেলাম। নানী আমাকে অনেক দিন পর দেখতে পেরে আমাকে অনেক আদর করতে লাগলো। আমার আসার কথা শুনে নানা দোকান থেকে বাড়ি চলে আসলো আর এসেই আমাকে বুকে জরিয়ে কপালে কিস করে আদর করে দিল। নানা আমাকে বলল এত বড় হয়ে গেছিস। আরও অনেক কিছু।
রাতে নানী কে বললাম আমাকে কালকে মেলাই নিয়ে জেতে হবে। নানী বলল আমার কুমরে ব্যাথা আমি জেতে পারব না। তুই তর নানা কে নিয়ে মেলায় যাস। নানা কে বললাম আমাকে মেলাই নিয়ে যাইবা। নানা বলল তকে মেলাই নিয়ে গেলে সব মানুষ তর দিকে তাকিয়ে থাকব তকে নিয়ে জাওয়া যাবে না। অবশেষে নানা কে রাজি করালাম।
পরের দিন মেলাই যাওয়ার আগে ভাল করে সেজে নিলাম। তার পর আমি আর নানা মেলাই যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম। ৩ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে যেতে হবে। তবে একটু সুজা পথেও জাওয়া যাই। আমি আর নানা সুজা রাস্তাই হাটতে লাগলাম। হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার পাশে একটি পাট খেতের কাছে গিয়ে নানা দারিয়ে গেলো। নানা বলল তুই যেতে থাক আমি একটু হিসু করে আসি। হাঁটার সময় আমি অনেক বার লক্ষ করেছি নানা আমার পাছার দিকে তাকিয়ে থাকে। তখন নানার পাঞ্জাবিটা উচু হয়ে ফুলে থাকতো। নানা হিসু করার জন্য পাট খেতের বিতরে চলে গেলো। ছেলে মানুষ হিসু করার জন্য তো এত বিতরে যাবার দরকার নাই কিন্তু নানা এত ভেতরে গেলো কেন?
আমারও একটু একটু হিসু এসেছিল, আর যেহেতু নানা পাট খেতের ভিতরে চলে গেছে তাই সুজুগ পেয়ে আমিও হিসু করার জন্য পাট খেতের ঐ পাশে কলই খেতের পাশে গেলাম। দুপুর বেলা তাই রদ্রের জন্য কলই গুলো শুকিয়ে গেছে তাই জন জন করে শব্দ হয়। ঐ পাশে গিয়ে আমি আমার ছেলুয়ার টা উচু করে বসে গেলাম হিসু করতে। হঠাত আমার কানে কলই এর জন জন শব্দ এলো। সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি নানা তার বিরাট লম্বা ধুন টি হাতে নিয়ে, ধুনের দিকে তাকিয়ে, খেচতে খেচতে এগিয়ে আসছে।
আমার হিসুর শব্দ শুনে নানা সামনের দিকে তাকাল। তাকিয়েই আমার বোদা দেখে হা করে রইল। এদিকে নানা তার ধুন টি খেচেই যাচ্ছে। আমার বোদা দেখে খেচার গতি টা আরও বাড়িয়ে দিল। আমার হিসু শেষ হল কিন্তু নানার খেচা দেখতে লাগলাম। আমি যেন ছোট কচি মেয়ে কিছু বুজি না এরকম ভাব ধরে নানার সাথে কথা বলতে লাগলাম। নানাকে বললাম, নানা ওটা কি? আর ওটাকে এমন করো কেন? নানা বলল এটাকে বারা বলে।
এমন করলে মজা লাগে তাই এমন করি। আমি বললাম তাই বুজি তাহলে আমার নেই কেন? নানা বলল তর নেই বলিস কি কই দেখি।
এই বলে নানা আমার বোদা দেখতে লাগলো। সত্যি তো তর এটা নেই। আমি বললাম তাহলে আমি তুমার মত মজা করবো কেমনে? নানা বলল যেহেতু তর নেই সেহেতু তুই নখ ঢুকিয়ে মজা কর। আমি বললাম কেমনে নখ ঢুকাব? এরপর নানা আমার বোদাই নখ ঢূকিয়ে কিছু সময় বোদা খেচে দিল। আমার তখন অনেক মজা লাগছিল।আমার মুখ থেকে সুখের ও আ শব্দ বের হচ্ছিল। একটু পর আমার বোদা দিয়ে রস বেরিয়ে এলো। নানাকে বললাম নানা বোদা থেকে কিসের রস বের করো? তুমার বের হই না? নানা বলল আমার ও বের হই তবে আমি বের করতে পারি না। আমি বললাম আমি বের করে দেই। এরপর আমি নানার ধুন নিয়ে খেচা শুরু করলাম। প্রথমে মুখে নিয়ে ইচ্ছে মত নানার বড় ধুন টি ভাল করে চুষে দিলাম।
খুশিতে নানা ও ও আ আ ও ও আআ করে আমার মাথাটা তার ধুনের মধ্যে চেপে ধরতে লাগলো। এরপর নানা বলল শুদু মুখ দিয়ে চুষলে হবে তর বোদাই ঢুকা তাহলে অনেক মজা পাবি। এরপর নানা আমাকে কলই খেতে চিত করে শুইয়ে দিয়ে নানার বিশাল বড় ধুন টি আমার বোদাই ঢুকিয়ে দিয়ে ঠাপাতে লাগলো। নানার ধুন টি আমার বোদাই টাইট হয়ে ঢুকছে আর বের হচ্ছে। আমার বোদা থেকে পচ পচ করে শব্দ বের হতে লাগলো। নানা আমার বড় বড় দুধ দুটি বের করে মুখে নিয়ে চুস্তে লাগলো আর বোদার মধ্যে ঠাপাতে লাগলো।
এদিকে কলই খেতের শুকনু কলই গুলি নানার ঠাপানুর সাথে সাথে জন জন করে শব্দ হতে লাগলো। নানা কে বললাম নানা কিসের শব্দ হই? নানা বলল খুশিতে আমাদের প্রেমের ঘন্টা বাজে। নানা আমার দুধ গুলি ভাল করে কস্লিয়ে কস্লিয়ে মলে দিল। নানার ঠাপানুর স্টাইল অনেক সুন্দর। বিভিন্ন স্টাইলে নানা আমাকে ঠাপাল। এরপর আমি নানাকে শুইয়ে দিয়ে নানার বাড়ার উপর উঠে গেলাম। আমি জুরে জুরে নানাকে ঠাপাতে লাগলাম।আমার মুখ থেকে যেমন শব্দ বের হচ্ছে তেমনি নানার মুখ থেকেও শব্দ বের হচ্ছে। নানা কে বললাম নানা আসার সময় তুমি আমার পাছার দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে তাকায়ে ছিলে কেন। নানা বলল অমন সেক্সি পাছা দেখলে কি আর ঠিক থাকা যাই।
এত সুন্দর মাল কি করে হল রে। আমি বললাম নানা বোদার অনেক জালা। বন্দুদের দিয়েই এরকম বানিয়েছি। তবে এরকম না হলে আজ কি আর তুমার বড় ধুনের ঠাপ খেতে পারতাম। নানা তুমার ধুন টা সত্যি অনেক স্মার্ট। আমার সব বন্ধুদের চেয়ে তুমার ধুন অনেক বড় আর সেক্সি। নানা বয়স কালে তুমি নিশ্চয়ই চুদন বাজ ছিলে। নানা বলল শুদু কি বয়স কালে, গত রাতে তর নানিকে ঠাপিয়ে কুমরে ব্যাথা বানিয়ে দিয়েছি।
আমি বললাম এই জন্যই তো নানী মেলাই এলো না। আচ্ছা নানা তুমি তখন হিসু করার জন্যই কি পাট খেতের ভেতর গিয়েছিলা। নানা বলল আরে না তর সেক্সি শরির দেখে আমার মাথাই আগুন দরে গিয়ে ছিল। তাই খেচার জন্য পাট খেতে গিয়ে ছিলাম। তবে আমি ইচ্ছে করে তকে দেখি নাই খেচতে খেচতে কখন যে ঐ পাশে চলে গেছি জানি না। আর তাছারা তুই তো ঐ খানে দারায়ে ছিলি এই পাশে কখন আসলি আমি জানি না। এরপর নানাকে বললাম জানো নানা কাল কে যখন তুমি নানিকে ঠাপাচ্ছিলে তখন নানির চিৎকারের শব্দে আমার ঘুম বেঙ্গে গিয়ে ছিল। এরপর আমি টিনের ফুরদি দিয়ে নানাকে ঠাপাতে দেখে ছিলাম। খুব ইচ্ছে হয়ে ছিল তুমার ধুনের দিকে। তাই আমি ঐ রাস্তাই না গিয়ে এই রাস্তাই এসেছিলাম। আর আমি ইচ্ছে করেই তুমার ধুন টা গরম করার জন্য আমি আমার পাছা কে নাচিয়ে নাচিয়ে হেটেছি। আমি আর নানা বিভিন্ন কথা বার্তা বলছি আর আমি নানাকে ঠাপায়েই জাচ্ছি। নানার ধুন টি আমার বোদার রসে বিজে একাকার হয়ে গেছে। আমার বোদা দিয়ে দুই বার আমার মাল বেরিয়ে গেছে। কিন্তু নানার বড় ধুন পেয়ে আমি আমার বোদার জালা কমিয়ে নেবার জন্য বেশি করে নানার চুদা খেতে লাগলাম। আমার দুধ দুটি নানার মুখে দিয়ে অনেক সময় আমি নানাকে ঠাপালাম। এরপর নানা আমাকে বলল আমার প্রেমের নাতি আমাকে একটু ঠাপাতে দাও। নানা আমাকে হাটু বাঁকা করে কুকুরের মত করে আমার পাছাটা উচু করে দিল।
এরপর আমার পাছাটা কয়েকবার জুরে করে টিপে দিল। এরপর পেছন থেকে আমার বোদাই নানা ধুন টি ঢুকিয়ে, আমার দুই দুধ শক্ত করে ধরে আমাকে রাম ঠাপ দিতে লাগলো। আমি তখন ব্যাথাই ও আ করে নানা আস্তে চুদ আস্তে চুদ বলতে লাগলাম।
কিন্তু নানা আমাকে রাম ঠাপ দেতেই লাগলো। আমার ব্যাথা করতে লাগ্লেও খুব মজা পাচ্ছিলাম। ইস নানার ধুনে কি জুশ। এরপর নানাকে বললাম নানা আমার বোদার সব রস বের করে দাও। নানা আমাকে রাম ঠাপ দিচ্ছে আর খুশিতে আমার মুখ থেকে আ আ ও ও শব্দ বের হচ্ছে। এদিকে কলই এর শব্দ যেন আমাদের ঠাপানুর ঘন্টা বাজাচ্ছে। একটু পর নানাও ও ও আ আ করতে লাগলো। তারপর আমাকে বলতে লাগলো আমার সাথে তুই ও একটু জুরে জুরে ঠাপ দে। আমি নানার সাথে সাথে পেছন দিকে জুরে জুরে ঠাপ দিতে লাগলাম। কলই এর জন জন শব্দ টাতে আমাদের প্রেমের ঘন্টা টাও জুরে জুরে বাজতে লাগলো। এরপর নানা ও ও আ আ করে কয়েকটা অনেক জুরে ঠাপ দিয়ে ধুন টা বোদা থেকে বের করে আমার পাছার উপর নানার ধুন টা কয়েকবার জুরে জুরে খেচা দিয়ে নানার ধুনের সব মাল আমার পাছার উপর পচাত পচাত করে দিয়ে দিল। তার পর নানা কলই এর উপর চিত হয়ে শুয়ে পরল। নানার ধুন টা তখন আস্তে আস্তে ঘুমিয়ে পরল। খেচা শেষ না হলে এখানে ক্লিক করুন
আমার গল্পটি যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে আমাকে comments করে জানাবেন। যদি অনেক বেশি comment করেন তাহলে তার সাথে আমি really imo তে contact করবো। তবে যে নানার মত পারবে শুধু তার সাথেই। আর হ্যা আমার সাথে যে imo তে কথা বলতে চান সে আমাকে comment করে অবশ্যই জানাবেন। আমি imo তে তাকে দেখব তার বাড়াটা কত বড়, আর সে আমাকে সাদ মিটিয়ে করতে পারবে কিনা।
Barta Zone 24 – Most Popular Bangla News The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Barta Zone 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.