যৌন মিলনের কোনো নির্দিষ্ট পজিশন বা স্বাভাবিক নিয়মে মিলন করার কারণে নারীদের ক্যান্সার হয় না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরণের শিরোনাম বা তথ্যগুলো সাধারণত বিভ্রান্তিকর বা “ক্লিকবেট” (Clickbait) হয়ে থাকে, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।তবে,
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী অসুরক্ষিত এবং অনিয়ন্ত্রিত যৌন আচরণের কারণে নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। নিচে এর আসল কারণ ও প্রতিকারগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:আসল কারণ: হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য প্রধানত দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) নামের একটি ভাইরাস। এটি মূলত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়:একাধিক যৌন সঙ্গী: স্বামী বা স্ত্রী যেকোনো একজনের একাধিক যৌন সঙ্গী থাকলে এই ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে।অসুরক্ষিত মিলন: কনডম ছাড়া বা অনিরাপদ উপায়ে মিলনের ফলে খুব সহজেই একজন থেকে অন্যজনের শরীরে ভাইরাসটি প্রবেশ করে।কম বয়সে
যৌন জীবন: অল্প বয়সে (বিশেষ করে ১৮-২০ বছরের নিচে) নিয়মিত যৌন মিলন শুরু করলে জরায়ুর কোষগুলো ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংবেদনশীলতা বেশি থাকে।অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাসধূমপান: জরায়ুমুখের কোষের ক্ষতি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ভাইরাসের স্থায়ীত্ব বাড়ায়।যৌনবাহিত রোগ (STI): আগে থেকে ক্ল্যামাইডিয়া বা গনোরিয়ার মতো রোগ থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।সুরক্ষার উপায়
১. এইচপিভি ভ্যাকসিন (HPV Vaccine): চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মতো মেয়েদের এইচপিভি টিকা দেওয়া সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা।২. নিরাপদ যৌন জীবন: বিশ্বস্ত ও একগামী একক সঙ্গীর সাথে যৌন সম্পর্ক বজায় রাখা।৩. নিয়মিত স্ক্রিনিং: বিবাহিত নারীদের নিয়মিত প্যাপ স্মেয়ার (Pap Smear) বা জরায়ুমুখ পরীক্ষা করানো উচিত, যাতে ক্যান্সারের পূর্বলক্ষণ শুরুতেই ধরা পড়ে।আপনার স্ত্রীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে আপনি কি এইচপিভি (HPV) ভ্যাকসিনের নিয়মাবলী কিংবা প্যাপ স্মেয়ার টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান?
Barta Zone 24 – Most Popular Bangla News The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Barta Zone 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.